Monday, August 17, 2026
Google search engine
Homeদক্ষিণবঙ্গশ্রাবণের শেষ সোমবারে ভক্তের ঢল উত্তরেশ্বর মন্দিরে

শ্রাবণের শেষ সোমবারে ভক্তের ঢল উত্তরেশ্বর মন্দিরে

সংবাদদাতা,জামুড়িয়াঃ কথিত আছে, মহাভারতের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম ধনুর্বিদ অর্জুনের পুত্র অভিমন্যুর স্ত্রী উত্তরার নাম থেকেই জামুড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রের শ্যামলা অঞ্চলের ভুঁড়ি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী উত্তরেশ্বর মন্দিরের নামকরণ। সেই ঐতিহ্যবাহী মন্দিরেই শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার ভোর থেকেই দেখা গেল ভক্তদের ঢল। শিবের মাথায় জল ঢেলে পুজো দিতে সকাল থেকেই মন্দিরমুখী হন অসংখ্য পুণ্যার্থী। শিবভক্তদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে বাঁক কাঁধে উত্তরেশ্বর মন্দিরে পৌঁছন জামুড়িয়ার বিধায়ক ডঃ বিজন মুখার্জি। বাবা ভোলানাথের মাথায় জল অর্পণ করে ভক্তি ভরে পুজো দেন। পাশাপাশি মানুষের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনাও করেন বিধায়ক। শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার হওয়ায় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্দির চত্বরে বাড়তে থাকে পুণ্যার্থীদের ভিড়। ভক্তদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ। পুজো দিতে আসা মানুষের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও ভক্তির আবহ। এদিন উত্তরেশ্বর মন্দিরে দেখা যায় আরও একটি আকর্ষণীয় উদ্যোগ। শ্যামলা অঞ্চলের ভুড়িগ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি মন্দিরে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য জি আই স্বীকৃত বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সীতাভোগ বিতরণের ব্যবস্থা করেন। প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষের জন্য সীতাভোগের আয়োজন করা হয়। এমন উদ্যোগ দেখে আপ্লুত হন বিধায়ক ডঃ বিজন মুখার্জি। উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদও জানান তিনি।পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক ডঃ বিজন মুখার্জি বলেন, “বাবার আশীর্বাদ নিতে এবং নিজেদের মনস্কামনা পূরণ করতে হাজার হাজার মানুষ আজ উত্তরেশ্বর মন্দিরে ভিড় করেছেন। আমিও এসেছি। সকলের সহযোগিতায় ভক্তিভরে ভোলানাথের পুজো করলাম এবং মানুষের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করলাম।” পাশাপাশি মন্দিরে যাওয়ার রাস্তার পরিকাঠামো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিধায়ক। তাঁর কথায়, মূল রাস্তা থেকে উত্তরেশ্বর মন্দিরে যাওয়ার পথটি কিছুটা সংকীর্ণ এবং আগাছায় ভরে উঠেছে। আগামী দিনে ওই রাস্তার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি। অন্যদিকে, পুণ্যার্থীদের মধ্যে সীতাভোগ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া ব্যক্তিরা জানান, প্রতি বছরই শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার উত্তরেশ্বর মন্দিরে আগত ভক্তদের জন্য তাঁরা মিষ্টান্নের আয়োজন করেন। এবছর বর্ধমান থেকে সীতাভোগ এনে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষের জন্য তা বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে এই উদ্যোগ আরও বড় আকারে করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তাঁরা।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments