সংবাদদাতা,দুর্গাপুর ও আসানসোলঃ কলকাতার চোরবাগানে পদপিষ্টের ভয়াবহ ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। পুজোর ভিড়ে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়,তা নিশ্চিত করতে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে তৎপরতা। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের তরফেও বিভিন্ন পুজোমণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো,প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিষয়গুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। দুর্গাপুরের অন্যতম আকর্ষণীয় পুজো হিসেবে পরিচিত শঙ্করপুর সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপ এবং ফুলঝোড় সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পুজোমণ্ডপগুলি পরিদর্শন করেন দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক অঙ্কিতা আগরওয়াল এবং নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ আধিকারিকরা। দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক অঙ্কিতা আগরওয়াল বলেন, “আমরা চারদিক খতিয়ে দেখছি। দর্শনার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়,সেদিকে নজরদারি চালানো হচ্ছে।” অন্যদিকে,আসানসোলে পুজো মণ্ডপগুলির নিরাপত্তাও জোরদার করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন ও পুলিশ। যাতে পুজোর বাকি দিনগুলোতে আসানসোলে এই ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্য শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ,ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার সকালে আসানসোলের বার্নপুর রোডে রবীন্দ্র নগর উন্নয়ন সমিতি সহ একাধিক বিগ বাজেটের পুজো মন্ডপ ঘুরে দেখেন আসানসোলের মহকুমা শাসক (সদর) সাধন দেবনাথ সহ আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা। ছিলেন আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।
চোরবাগানের দুর্ঘটনার পর সতর্কতা দুর্গাপুর ও আসানসোলে
RELATED ARTICLES



