দুর্গাপুর,১৯ মার্চঃ বৃহস্পতিবার দুপুর। ঘড়িতে সময় তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। স্টিল টাউনশিপে এ-জোন অঞ্চলের সেকেন্ডারি রোডে ২২ / ৬ নম্বর আবাসনে বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ আসেন। তাদের মধ্যে একজনের কাধে রাসায়নিক স্প্রের ট্যাঙ্ক। আসপাশের বাসিন্দারা কৌতুহলবশত এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই চমকে ওঠেন সকলে। ওই আবাসনের বাসিন্দা ৪৫ বছরের মনোজ দাস গত ১৫ মার্চ মারা গেছেন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে। মুহুর্তের মধ্যে ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর চাউর হয়ে যায় এলাকায়। মনোজের মৃত্যুর খবর পেয়ে সার্ভে করতে এসেছেন পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা। মনোজ মারা গেছেন এটা জানতেন এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু কি কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা জানা ছিল না। পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা মনোজের বাড়িতে আসতেই মৃত্যুর কারণ জানাজানি হয়। পানাগড়ে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কাজ করতেন মনোজ। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ১৩ মার্চ তাঁকে মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ তারিখ সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর শংসাপত্রে ডেঙ্গু বলে উল্লেখ রয়েছে। ঘটনাটি জানার পরে এদিন দুপুরে মনোজের বাড়িতে স্বাস্থ্য কর্মীদের পাঠান দুর্গাপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “দুঃখজনক ঘটনা। মনোজ দাস নামে ওই ব্যক্তি চিকিৎসা করাতে বিলম্ব করেছেন। পানাগড়ে একটা ওষুধের দোকানে কাজ করতেন। জ্বর হওয়া মাত্র হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাসপাতালে যান নি। পরে জোর করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়”।
দুর্গাপুরে ডেঙ্গুতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য
RELATED ARTICLES



