সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ প্রয়াত লক্ষ্মী নারায়ণ চট্টরাজ ছিলেন দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার অধীন এ জোন হাইস্কুলের ইংরেজি শিক্ষক ও একজন সফল শিশু সংগঠক। ইংরেজির শিক্ষক হিসেবে এক সুবিদিত ব্যক্তিত্ব। শনিবার তার সপ্তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে এক স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হল। মুমূর্ষু মানুষদের চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্তদান একটি পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কাজ। আজকাল অনেক মানুষ ও অনেক স্বেচ্ছা সেবী সংস্থা স্বেচ্ছায় রক্তদানের মতো পবিত্র কাজে এগিয়ে আসছে। ইস্পাতনগরীর এস এন ব্যানার্জি রোডে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার প্রাক্তন শিক্ষক প্রয়াত লক্ষ্মী নারায়ন চট্টরাজের সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পুত্র বিজয় চট্টরাজ ও তার পত্নী কবি লাকী চট্টরাজ এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে। এই রক্তদান শিবিরে চট্টরাজ পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও আরও অনেক পুরুষ ও মহিলা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি রক্তদানের বিভিন্ন সরঞ্জামে সজ্জিত একটি ভ্রাম্যমাণ গাড়ীতে রক্তদানের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর নগর নিগমের মূখ্য প্রশাসক অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়। বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে রক্ত দানের মত একটি পবিত্র কাজে এগিয়ে আসার জন্য চট্টরাজ পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করেন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়। দুর্গাপুর মহকুমা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর কর্মী বাবলু পাল বলেন, তিনি জীবনে এই প্রথম রক্তদান করলেন। সিউড়ী সদর হাসপাতালের নার্সিং ট্রেনী তিস্তা চট্টরাজ বলেন,সে এর আগেও অনেকবার সিউড়ী হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীদের সহায়তায় স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছে। আজ পারিবারিক এই রক্তদান শিবিরে অংশ নিতে পেরে খুব আনন্দিত। মোট কুড়িজন পুরুষ ও মহিলা এদিন রক্তদান করেন।
প্রয়াত শিক্ষকের প্রয়াণ দিবসে রক্তদান শিবিরের আয়োজন
RELATED ARTICLES



