সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ শীতের হাওয়ার লাগল নাচন আম্লকির এই ডালে ডালে। বাঙালির জীবনে শীতকাল মানেই সোনা রোদ গায়ে মেখে বেড়াতে বেরিয়ে যাওয়া,পিকনিক আর খেলা মেলা নিয়ে মেতে থাকা। এই সময়টা এক চিরচেনা ছবি হল রোদের আলো লুটেপুটে নিয়ে পিকনিকের আনন্দে মেতে ওঠা। রবিবার তারই এক ঝলক দেখা গেল দুর্গাপুর ইস্পাতনগরীর এজোন মেজর পার্কে। গোটা পার্কজুড়েই ছিল পিকনিকের কলরব। তারমধ্যেই নিজেদের আলাদা করে চেনালো দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার আইএনটিইউসি অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠন হিন্দুস্থান স্টিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। প্রতি বছর এই সময় সংগঠনের সদস্য ও তাদের পরিবার নিয়ে আয়োজন করা হয় বনভোজনের। শীতের সোনালী রোদ আর পার্কের মনোরম পরিবেশে এই আয়োজন হয়ে হয়ে উঠেছিল পারিবারিক এক মিলন মেলা। শুধু খাওয়াদাওয়াই নয়,ছিল গান বাজনা,খেলা সহ মনোরঞ্জনের নানা আয়োজন। এই ‘মিলন মেলায়’ সংগঠনের সদস্য ও তাদের পরিবার এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে প্রায় ৫০০ জন উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক (আহ্বায়ক) রজত দীক্ষিত। তিনি জানান, “৩৬৫ দিন আমরা সবাই নিজেদের কর্মস্থলে ব্যস্ত থাকি ও মানুষের স্বার্থে আমরা ইউনিয়ন করি তার পেছনে আমাদের পরিবারের একটা বড় ভূমিকা থাকে। তাই,এই একটা দিন পরিবারের সবাই কে নিয়ে প্রতি বছর এই ‘মিলন মেলার’ আয়োজন করি। সারাদিন সবাই একসঙ্গে আড্ডা,গল্প করার পাশাপাশি কেউ কেউ আবৃত্তি,কবিতা,গানও পরিবেশন করে সবাইকে আনন্দ দেয়। থাকে বিভিন্ন খেলার আয়োজন। সঙ্গে থাকে সবার জন্য মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন”। সংগঠনের সদস্যরাও এই দিনটির জন্য সবাই অপেক্ষা করে থাকে কারণ এই একটা দিনেই তারা সপরিবারে এক ছাতার তলায় মিলিত হতে পারেন।

হিন্দুস্থান স্টিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের এই বার্ষিক ‘মিলন মেলায়’ আমন্ত্রিত ছিলেন সাংবাদিকরাও। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের ফুলের তোড়া সহ স্মারক উপহার দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। একই সঙ্গে ইউনিয়নের পক্ষে মিডিয়ার দায়িত্বে থাকা পার্থ বিশ্বাসকেও সংবর্ধনা জানানো হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি পরেশনাথ কর্মকার।



