সংবাদদাতা,অন্ডালঃ রানীগঞ্জ বিধানসভায় যখন জোর কদমে চলছে নির্বাচনী প্রচার। ঠিক এই আবহে জোর চর্চা রানীগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষের প্রাক্তন স্ত্রীর তৃণমূলে যোগদানের ঘটনা। মঙ্গলবার বিকালে রানীগঞ্জের শিশুবাগান এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী কালোবরণ মন্ডলের হাত থেকে পতাকা নিয়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষের প্রাক্তন স্ত্রী পাপড়ি সিনহা। ঘটনাটি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অন্যদিকে পার্থ বাবু এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,হেরে যাবে বলেই কালোবরন বাবু নোংরা খেলায় মেতেছেন। পার্থ বাবু বলেন, ২০০৭ জুন মাসে আমার পাপড়ি সিনহার সঙ্গে ডিভোর্স হয়। ২০১৫ সালে আবার আমার বিয়ে হয় বর্তমানে আমি বিবাহিত। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ভালো আছি। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি প্রার্থীর প্রাক্তন স্ত্রী প্রকাশ্য জনসভায় তার প্রাক্তন স্বামী ও তার শ্বশুর বাড়ির অত্যাচারের কথা সামনে আনলেন। তিনি বলেন, তার প্রাক্তন স্বামী ও তার বাড়ির লোকজন তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন সে কারণেই তার বিবাহ বিচ্ছেদ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে,এতদিন বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর আজ কেন হঠাৎ প্রকাশ্যে এসে প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ? বিজেপি প্রার্থী পার্থ ঘোষের দাবি, ২০০৭ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং সেটা তার প্রাক্তন স্ত্রীর কারণেই হয়েছিল তার সমস্ত প্রমাণ তার কাছে আছে। এছাড়া তিনি জানান, একটা ঘৃণ্য রাজনীতিতে নেমেছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী কালো বরণ মন্ডল। কেননা তিনি বুঝতে পেরেছেন হেরে যাবেন আর সেই কারণেই এই ধরনের রাজনীতিতে নেমেছেন তিনি। পাশাপাশি কালো বরণ মন্ডলের বিরুদ্ধে হুমকির সুরে তিনি বলেন,কালোবরন বাবুর বহু কার্যকলাপের এমন তথ্য তার কাছে আছে যেটা প্রকাশ করলে তিনি মুখ দেখাতে পারবেন না। প্রয়োজন হলে সেটাও প্রকাশ করা হবে।
বিজেপি প্রার্থীর প্রাক্তন স্ত্রীর তৃণমূলে যোগদান নিয়ে বিতর্ক
RELATED ARTICLES



