রামপুরহাট,১৬ আগস্টঃ রামপুরহাট বিধানসভার পাঁচবারের বিধায়ক ছিলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রী হিসেবে একাধিক দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন। কখনও স্কুল শিক্ষামন্ত্রী, কখনও কৃষিমন্ত্রী এবং ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁকে ডেপুটি স্পিকারও নির্বাচিত করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমে। রামপুরহাট পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের হাটতলা পাড়ায় থাকতেন আশীষ বাবু। তাঁর বাড়ি লাগোয়া রয়েছে দলীয় কার্যালয়।রবিবার সকালে সেই কার্যালয় থেকেই তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঠিক কি কারনে আশীষ বাবু নিজেকে এইভাবে শেষ করে দিলেন তা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পাওয়ার পরই পুলিশ এসে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারন জানা যাবে। আশীষ বাবুর মৃতদেহের কাছে একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে। তাতে বেশ কিছু কথা তিনি লিখেছেন। জানা গেছে, সুইসাইড নোটে উল্লেখ রয়েছে দলের কথা, দুর্নীতির কথা। মৃত্যুর জন্য কাউকে তিনি দায়ী করেননি। সুইসাইড নোটে আরও লেখা আছে, যেভাবে অপমানিত করা হয়েছে, তাতে রাজনীতিতে আসাটাই তাঁর ভুল ছিল। তাঁর পরিবারের লোকজন যাতে কেউ রাজনীতিতে না আসেন, সেই বিষয়েও উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য,২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনেও রামপুরহাট বিধানসভা থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে পরাজিত হন। জেলা রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের পর জুন মাসেই জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে বীরভূমের তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছিলেন আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূল সরকারের প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকারের রহস্য মৃত্য,উদ্ধার সুইসাইড নোট
RELATED ARTICLES



