সংবাদদাতা,জামুড়িয়াঃ দু’বছর আগের ধস। সময়ের সঙ্গে ক্ষত শুকোয়নি বরং নিম্ন চাপের টানা বৃষ্টিতে ফের ভয়াবহ আকার নিয়েছে সেই ধস। বাড়তে থাকা গর্ত আর মাটির ফাটল ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে জামুড়িয়া থানার কেন্দা এলাকায়। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রায় ২৫টি পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র সরে গিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ২০২৪ সালে জনবসতির একেবারে সামনে প্রথম ধসটি দেখা যায়। ধসের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে তৈরি হয় গভীর গর্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে ধসের কাছাকাছি থাকা কয়েকটি পরিবারের জন্য ইসিএলের পুরনো আবাসনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়দের বক্তব্য,সেটি স্থায়ী পুনর্বাসন নয়। এর পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। ফের নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টির পরেই পুরনো ধসের আকার আরও বেড়েছে। বুধবার রাত থেকেই আতঙ্কে বাড়িঘর ছাড়তে শুরু করেন এলাকার বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ধস কবলিত পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য ইসিএলের কোনও আধিকারিক এলাকায় আসেননি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকার বাউরি সমাজের নেতা হরেকৃষ্ণ বাউরির দাবি,ধসের পর দু’বছর আগেই ইসিএলের কাছে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছিল। সেই সময় কয়েক জনকে ইসিএলের পুরনো আবাসনে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হলেও তা প্রকৃত পুনর্বাসন নয়। তাঁর অভিযোগ, “দু’বছর পর ফের বৃষ্টিতে ধসের আকার বেড়েছে। এখন ২৫টি পরিবার ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। অবিলম্বে এই পরিবারগুলির স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।” পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ নিয়ে ইসিএলের কোনও আধিকারিকের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পুরনো ধস আরও ভয়াবহ,আতঙ্কে ঘরছাড়া ২৫ পরিবার
RELATED ARTICLES



