দুর্গাপুর,৪ মেঃ সারা রাজ্যেই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ধাক্কায় পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও ৯টি আসনেই পরাজিত হয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থীরা। সব আসনেই জয়লাভ করেছে বিজেপি। এমনকি জেলার দুই মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার ও মলয় ঘটকও পরাজিত হয়েছেন। কিন্তু এমন শোচনীয় পরাজয়ের কারণ কী ? মলয় ঘটক বলেন, ‘দেখতে হবে কোথায় খামতি ছিল।’ অন্যদিকে, হেরে গেছেন জেলায় দলের সেনাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীও। এই পরাজয় তিনি মেনে নিতে পারেননি। পরাজিত হওয়ার পর রি- কাউন্টিংয়ের দাবিতে কাউন্টিং সেন্টারের সামনেই কর্মীদের নিয়ে অবস্থানে বসে পড়েন তিনি। নরেন্দ্রনাথের অভিযোগ, ‘কাউন্টিং সেন্টারের ভিতরে আমাদের কর্মীদের মারধর করে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। সেই সময় কাউন্টিং বন্ধ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কাউন্টিং বন্ধ করা হয় নি। তাই রি – কাউন্টিংয়ের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনও সাহায্য করে নি।’ অন্যদিকে, দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রটি বিজেপির থেকে উদ্ধারের লক্ষ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ট কবি দত্ত কে এখানে প্রার্থী করা হয়েছিল কিন্তু তিনি বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। কথা বলার মত অবস্থায় ছিলেন না কবি। সূত্রের খবর দলীয় কর্মীদের একাংশ কবির বিরুদ্ধাচারণ করেছেন। তার জেরেই এই কবির শোচনীয় পরাজয়। দুর্গাপুরের বিজেপির দুই বিজয়ী প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় ও লক্ষণ ঘোড়ুই বলেছেন, ‘এবার আমাদের লক্ষ্য দুর্গাপুর পুরসভা। এটা দখল করতে পারলে দুর্গাপুরের মানুষকে উন্নত পরিষেবা দিতে পারব। দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
মলয় ঘটক বললেন,‘দেখতে হবে কোথায় খামতি ছিল’!
RELATED ARTICLES



