দুর্গাপুর,১৩ আগস্টঃ পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার পঞ্চায়েতের কাজের অগ্রগতি নিয়ে দুর্গাপুরের সৃজনী হলে গুরুত্বপূর্ণ রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত হলো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। দুই জেলার জেলা শাসক, বিডিও এবং পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে এই বৈঠকে গ্রামীণ উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে একশো দিনের কাজের গতি কতটা এগিয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নের পরিকাঠামো কী অবস্থায় রয়েছে এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে—তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত দফতরের সচিব, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘোড়ুই-সহ প্রশাসনের আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। দুই বর্ধমানের গ্রামীণ উন্নয়নের কাজে গতি আনা এবং সরকারি প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান,আগের সরকারের আমলে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩০ লক্ষ উপভোক্তাকে টাকা দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে ১২ লক্ষ বাড়ি হয়ে গেছে। এগুলির মধ্যে কতগুলি সঠিক সেটাও আমরা যাচাই করে দেখছি। বাকি আছে ১৮ লক্ষ। তাদেরও প্রথম পর্যায়ের টাকা দেওয়া হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ লক্ষ ২০ হাজার জনের টাকা মুখ্যমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। এদের মধ্যেও সারে ১২ হাজার অযোগ্য রয়েছে। তাদের টাকা ফেরতের কথা বলা হয়েছিল। এরমধ্যে এক হাজার লোক টাকা ফেরৎ দিয়েছে। বাকিদের কাছে নোটিশ যাবে। এছাড়াও জেলার অনেক পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রধান ও উপ প্রধান সহ কর্মীরা দফতরে না আসার কারনে পরিষেবা আটকে যাচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠছে সেবিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা তার জন্য আইনে কিছু পরিবর্তন এনেছি এবং যারা আসছে না তাদের জন্য কোনো কাজ আটকে থাকবে না। জানা গেছে,পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলি সচল রাখা এবং সরকারি প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়ন করার বিষয়েও এই বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চায়েতের কাজ নিয়ে দুর্গাপুরে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
RELATED ARTICLES



