দুর্গাপুর,৫ নভেম্বরঃ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচিতে দুর্গাপুরের ভিরিঙ্গী মোড় থেকে প্রান্তিকা পাঁচমাথা মোড় পর্যন্ত পদযাত্রা হয়। শেষে এক সভায় দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিরোধীদের চড়া সুরে আক্রমন করেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভাষণে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার রীতিমতো হুঙ্কারের সুরে বলেন, “আমরা যেমন ভদ্র যেমন সভ্য,প্রয়োজন হলে আমরা কিন্তু অস্ত্র ধরতে জানি”। তিনি আরও বলেন, “বিরোধীরা যদি ভাবেন ফয়সালা ব্যালটে নয়,রাস্তায় হবে তাহলে রাস্তায় আমাদের সাথে পেরে উঠবেন না। সেই দম আপনাদের নেই। এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় বড় ছবি লাগানো হতো। বলা হত বাংলার বাঘিনী। আমরা জানি বাঘ হরিণ ধরতে যায়। বিড়াল আরশোলা খায়। এখন দেখি বাঘিনী আরশোলা ধরতে দিল্লি চলে গেছে। যে সিপিএমের সাথে লড়াই করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম। সেই সিপিএমের রাষ্ট্রনেতা বেবি সাহেবের সাথে কানে কানে কথা বলছেন। সিপিএমের বন্ধু হল তৃণমূল কংগ্রেস। উদ্দেশ্য একটাই ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরানো। আগে লুঙ্গি বাহিনী রাস্তায় বের হতো এখন আর বেরোয় না। কারণ বাংলার মানুষ জানে কিভাবে শায়েস্তা করতে হয়”। সুকান্ত মজুমদারের পাশাপাশি সভায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেন, “নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ রেল, সড়ক,বিমান ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি করছে”। বিরোধীদের ভোট চুরির অভিযোগ খারিজ করে তিনি দাবি করেন, “জনগণই দুর্নীতিগ্রস্তদের ভোট দেওয়া বন্ধ করেছে”। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়,দুধ কুমার মন্ডল, মন্ত্রী কলিতা মাঝি। সাংসদ সৌমিত্র খাঁ,দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোরুই সহ রাঢ়বঙ্গ জোনের বিধায়করা।
দুর্গাপুরে গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচীতে বিরোধীদের কড়া বার্তা সুকান্ত মজুমদারের
RELATED ARTICLES



