দুর্গাপুর,১১ মেঃ সরকারে পরিবর্তন হতেই দূর্ণীতির বিরুদ্ধে সরব হলেন দুর্গাপুর পূর্বের সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি সিটি সেন্টারের দুর্গাপুর আদালতের নতুন ভবনে আন্দোলনরত আইনজীবীদের সমর্থনে উপস্থিত হন। এখানে এডিডিএর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “২৮ কোটি টাকার প্রকল্প ৩৮ কোটিতে পৌঁছে গেল। মাঝের টাকা কোথায় গেল,তার তদন্ত হওয়া দরকার। চেয়ার,এসি-সহ আসবাবপত্র কেনাতেও দুর্নীতি হয়েছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রাক্তন আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক এবং আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কবি দত্ত এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। পাশাপাশি বিজেপি বিধায়ক জানান, আইনজীবীদের দাবি রাজ্য সরকারের নজরে আনা হবে এবং বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হবে। উল্লেখ্য, সিটি সেন্টারের বহু বছরের পুরানো আদালত ভবনের বেহাল দশার কারনে দাবি উঠেছিল নতুন একটি ভবন নির্মাণের। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সেই ভবন চালু হয়েছে এবং আইনজীবীরাও কাজ শুরু করেছেন। কিন্তু,মডেল আদালত হিসেবে গড়ে তোলা এই ভবনে প্রথম থেকেই পরিকাঠামোগত কিছু অসুবিধার কথা বলে আসছেন আইনজীবীরা। আদালতের পরিকাঠামো ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুদিনের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন আইনজীবীরা। দুর্গাপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সোমবার থেকে দুই দিনের এই কর্মবিরতি শুরু করেছেন আইনজীবীরা। আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। আইনজীবীদের অভিযোগ,আদালতে বসার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই,পাশাপাশি ন্যূনতম পরিষেবারও ঘাটতি রয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষকে সঠিকভাবে পরিষেবা দিতে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর মহকুমা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কল্লোল ঘোষ। তিনি বলেন, “আইনজীবীদের বসার সঠিক জায়গা নেই। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমরা চাই দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি হোক।
দুর্নীতি করলে মলয় ঘটক ও কবি দত্তকে ছাড়া হবে নাঃ চন্দ্রশেখর
RELATED ARTICLES



