Friday, June 5, 2026
Google search engine
Homeদক্ষিণবঙ্গরমাপ্রসাদকে তার বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে তদন্ত পুলিশের

রমাপ্রসাদকে তার বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে তদন্ত পুলিশের

দুর্গাপুর,৫ জুনঃ তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে ধৃত তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলার রমাপ্রসাদ হালদারকে প্রথমে তার বাড়িতে তারপর দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যেতেই এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখায়। তাকে লক্ষ্য করে ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগান। তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে ধৃত দুর্গাপুর নগর নিগমের বিদায়ী বোরো চেয়ারম্যান রমাপ্রসাদ হালদারকে তদন্তের স্বার্থে শুক্রবার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে পৌঁছতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অভিযুক্ত নেতাকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তের প্রয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। রমাপ্রসাদ হালদারকে সেখানে নিয়ে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ক্রমশ উত্তেজনা বাড়তে থাকলে ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এদিকে,এলাকায় উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও রমাপ্রসাদ হালদারের বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার,তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তাঁদের এই প্রতিবাদ বলে দাবি বিজেপির। শুধু স্লোগানেই থেমে থাকেননি বিক্ষোভকারীরা। দলীয় কার্যালয়ের বাইরে রমাপ্রসাদ হালদারের একটি ছবি সাঁটিয়ে তার ওপর  চোর লেখা হয়। এরপর সেই ছবিতে জুতো মেরে প্রতিবাদও জানানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিজেপির কুড়ি নম্বর ওয়ার্ড মন্ডলের সহ-সভাপতি ইতিবালা প্রতিহার অভিযোগ করেন,”এলাকার বিজেপির কর্মীদের বেছে বেছে মারধর করেছিল। ভয় দেখিয়ে ছিল এলাকার মানুষকে। মহিলাদের উপর অত্যাচার করেছিল। সেই জন্য আমরা প্রতিবাদ করছি। ওর উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন তারা।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments