দুর্গাপুর-বাঁকুড়া,২৬ জুলাইঃ কারগিল বিজয় দিবসে দুর্গাপুরে দেখা গেল ৫০০ র বেশি বাইক নিয়ে বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা শোভাযাত্রা। কারগিল বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশপ্রেম ও কারগিল যুদ্ধে শহীদ বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত হল এক বর্ণাঢ্য বাইক শোভাযাত্রা। রবিবার দুপুরে সগড়ভাঙা এলাকা থেকে এই র্যালির সূচনা হয়। প্রায় ৫০০-রও বেশি বাইকচালক হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। দেশাত্মবোধক স্লোগান,তিরঙ্গার আবহ এবং অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ-উদ্দীপনায় মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। সগড়ভাঙা থেকে শুরু হওয়া বাইক র্যালিটি দুর্গাপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে সিটি সেন্টারে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। অন্যদিকে,বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় যামিনী রায় কলেজের এনএসএস ইউনিট বিশেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও মিছিলের আয়োজন করে। অমর শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও কুচকাওয়াজ জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে কারগিলের শহীদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় এনএসএস এর স্বেচ্ছাসেবকরা। ছাত্রছাত্রী শিক্ষক ও এনএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা বেলিয়াতোড় বাজার পরিক্রমা করে পথ চলতি মানুষজনদের মিষ্টি বিতরণ করে।বেলিয়াতোড় তিন মাথার মোড়ে আরেক প্রস্থ শহীদ দিবস উদযাপন করে দেশপ্রেমের বার্তা দেন। হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে “ভারত মাতা কি জয়” ধ্বনি স্লোগান দেওয়া হয়। এন এস এস ইউনিট কনভেনার হারাধন কর্মকার জানান শহীদদের আত্মত্যাগ যাতে নতুন প্রজন্ম মনে রাখে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয় এই শহীদ বিজয় দিবস পালনের মধ্য দিয়ে। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ২৬ জুলাই পাকিস্তানি সেনাকে পিছু হটিয়ে কারগিলের চূড়ায় তেরঙ্গা উড়েছিল ভারতীয় সেনা বাহিনী। ২৭ বছর আগে তিন মাস চলা এই যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন ৫২৭ জন ভারতীয় সেনা। বীর শহীদদের এই বলিদান আত্মত্যাগকে স্মরণ করে প্রতি বছর ২৬ জুলাই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয় সারা ভারতবর্ষে।




