Monday, August 10, 2026
Google search engine
Homeদক্ষিণবঙ্গজাতীয় সড়কের ধারে বিদ্যুৎ খুঁটির নীচে আচমকাই ধসের ঘটনায় আতঙ্ক

জাতীয় সড়কের ধারে বিদ্যুৎ খুঁটির নীচে আচমকাই ধসের ঘটনায় আতঙ্ক

সংবাদদাতা,রানিগঞ্জঃ ব্যস্ত জাতীয় সড়কের ধারে আচমকাই ধস! উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ খুঁটির নীচে মাটি বসে তৈরি হল প্রায় ৫-৬ ফুট গভীর গর্ত। সেই গর্তে দাঁড়িয়ে থাকা একটি টোটো আচমকাই ঢুকে যাওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল রানিগঞ্জের শিশুবাগান মোড়ে। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও আতঙ্ক কাটছে না স্থানীয়দের। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নজরুল মূর্তির বিপরীতে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে আচমকাই মাটি বসে যায়। মুহূর্তে তৈরি হয় গভীর গর্ত। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তখনই সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি টোটো গর্তে ঢুকে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত সেটিকে সরিয়ে নেন। তবে ব্যস্ততম এই সড়কের পাশে এমন ঘটনায় যানবাহন ও পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, এই এলাকায় ধসের ঘটনা নতুন নয়। স্থানীয়দের দাবি, বছর তিনেক আগেও কাছাকাছি এলাকায় মাটি ধসেছিল। তার পাশেই ফের ধস নামায় পুরনো আশঙ্কাই নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। ব্রিটিশ আমলের কোনও পুরনো নিকাশি নালা বা মাটির নীচে জলপথের কারণে মাটি সরে যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।শিশুবাগান ডোমপাড়া এলাকাকে ঘিরে রয়েছে আরও উদ্বেগ। স্থানীয়দের দাবি, একসময় সেখানে বড় জলাশয় ছিল। পরবর্তী সময়ে সেই জলাশয় ও সংলগ্ন কয়লাখনি এলাকার চরিত্র বদলে গিয়ে সেখানে জনবসতি গড়ে ওঠে। এর পরেও এলাকায় একাধিক বার ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। যদিও বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক বৃষ্টির জল নালা-নর্দমার পথে মাটির নীচে ঢুকে যাওয়াতেই এই ধস হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, খুঁটির সংলগ্ন অংশ ভাল ভাবে মাটি দিয়ে ভরাট করলেই সমস্যা মিটবে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই—এটি কি নিছক কয়েক ফুটের গর্ত,নাকি বড় ধসের আগাম সংকেত?

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments