বাঁকুড়া,১৬ অক্টোবরঃ দুর্গাপুজোর ভিড়ে যাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তৎপর রেল পুলিশ। মহাষষ্ঠীর দিন বাঁকুড়া স্টেশনে কড়া নজরদারি। যাত্রীদের তল্লাশির পাশাপাশি ট্রেনের কামরায় তল্লাশি চালানো হয় স্নিফার ডগ নিয়ে। সেই সঙ্গে ড্রোন উড়িয়েও নজরদারি চালায় রেল পুলিশ। পুজোর দিনগুলিতে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে,তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে বলেই দাবী রেল পুলিশের। বাঁকুড়া আরপিএফের ওসি তপন কুমার রায় জানান,বাঁকুড়া আরপিএফ পোস্ট,বাঁকুড়া জিআরপি এবং হেড কোয়ার্টার থেকে আসা কুইক রেসপন্স টিম যৌথ ভাবে এই তল্লাশি অভিযানে অংশ নেয়। স্টেশনের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে কিউআরটি টিমকে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ,মাদকদ্রব্য চিহ্নিত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে দুটি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরকে। পুজোর সময় ট্রেনে মাদকদ্রব্যের বেআইনি পরিবহণ রুখতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি,মহিলাদের নিরাপত্তা এবং শিশুদের নিরাপত্তা নজরদারির জন্যও বিশেষ দল কাজ করছে। জেলা ও কেন্দ্রীয় স্তরের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী নজরদারিও চালানো হচ্ছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা দলের সদস্যরাও বিভিন্ন জায়গায় নজর রাখছেন। তিনি বলেন, “যাত্রী সুরক্ষাই রেল পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। যাত্রীরা যাতে নিশ্চিন্তে ট্রেনে যাতায়াত করতে পারেন,তা নিশ্চিত করাই আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ”। পাশাপাশি,রেলের তরফে যাত্রীদেরও সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়ে বলা হয়েছে ভিড়ের মধ্যে চলন্ত ট্রেনে ওঠা বা নামা থেকে বিরত থাকতে। কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু নজরে এলে দ্রুত রেল পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সহায়তার জন্য ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু রাখার পাশাপাশি বাঁকুড়া স্টেশনে আরপিএফ ও জিআরপির সহায়তা বুথও থাকছে। ট্রেন চলাচলের সময় যাত্রীদের সচেতন করতে প্রচারও চালানো হচ্ছে রেল পুলিশের তরফে।




